দু-একদিনের মধ্যে ভিসা প্রিন্টিং, অতিরিক্ত মোয়াল্লেম ফিসহ অন্যান্য জটিলতার সমাধান না হলে হজ ফ্লাইটে জটিলতা আরও বাড়বে। যাত্রী সংকটে এ পর্যন্ত বিমানের ১২টি ও সৌদি এয়ারলাইন্সের তিনটি হজ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে বিমানের সক্ষমতা হারিয়েছে ৫ হাজার ৩৮০ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের লস হয়েছে এক হাজার ২০০ জন।
বুধবার সচিবালয়ে হজযাত্রী পরিবহন নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ৪০ হাজার হজ্বযাত্রীর যাত্রা এখন অনিশ্চিত !
তিনি বলেন, বিমান পরিকল্পনার সময় এই লস হতে পারে ধারণা করে অতিরিক্ত ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে রেখেছে। কিন্তু আজ কালকের মধ্যে যদি সমস্যার সমাধান না হয়, তখন এটা একটা সমস্যা হিসেবে দাঁড়াবে।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, মেনন এসব বুঝেও কেন প্রতিকারে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। হজ্বের মতো গুরুত্বপুর্ন একটি ফরজ ইবাদাত নিয়ে মেণনের এ কেমন মশকরা ?
কিছু দিন আগে ভারতীয় উগ্রবাদী দল বিজেপি ঘোষণা দিয়েছে রামমন্দির না করতে দিলে ভারতীয় মুসলমানরা হজ্বও করতে পারবেণ না । তারা বাঁধা দিবেণ । অনেকের ধারণা, বিজেপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেই কি বামপন্থি মেনন হজ্বে নানা জটিলতা সৃষ্টি করছেন?
অপরদিকে বাংলাদেশ বিমান জঠিলতা কমিয়ে ফেললে ধীরে ধীরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দক্ষিণ এশিয়ায় নামকরা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে। এতে পাশের দেশ ভারতের বিমান সংস্থাগুলির জন্য নতুন একটি প্রতিদ্বন্দ্বী বৃদ্ধি হয়। ফলে ভারতপন্থি মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এটা চান না । ইতিমধ্যে তাঁর মন্ত্রালয় লক্ষকোটি টাকারও বেশী লোকসান হয়েছে। একই সাথে এভাবে বিমানকে হজের সময় অচল রাখার পেছনে বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে থাকা হিন্দুত্ববাদীদের প্রভাব উড়িয়ে দিচ্ছেন না অনেকেই ।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন